কলেজ পরিচিতি

পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার ১৪নং নওমালা ইউনিয়নে দক্ষিণ বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আব্দুর রশিদ খান ডিগ্রি কলেজ। ১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ করে বৃহত্তর পটুয়াখালী জেলার শিক্ষার উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন সময় যুগ্ম সচিব (অবঃ) সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এ.কে.এম হাসেম ও প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতায় কলেজটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তাছাড়া আবুল কাশেম পেশকার, আবুল হাশেম পেশকার, আবদুল আজিজ মাস্টার এই তিন জন মিলে ৩.৯৪ একর জমি দান করেছেন। কলেজটি উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি পর্যায়ে স্বীকৃতি প্রাপ্ত ও এমপিওভুক্ত। অভিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলী ও কলেজ পরিচালনা কমিটি দ্বারা সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে।

তথ্য ও প্রযুক্তির অগ্রগতির কল্যাণে সমগ্র বিশ্ব যেন আজ হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। শিক্ষার্থীদেরকে দক্ষ ও সুযোগ্য বিশ্বনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুগোপযোগী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন অপরিহার্য। এই প্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকারের গৃহীত নানা উদ্যোগের অংশ হিসেবে অত্র প্রতিষ্ঠানও আজ তার বিভিন্ন কার্যক্রমে ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ধন্য।

কলেজে বিদ্যমান বিজ্ঞান ক্লাব, ডিজিটাল ল্যাব, শ্রেণি কার্যক্রমে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের ব্যবহার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে তথ্য প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত করার প্রয়াস, কলেজ ক্যাম্পাসকে ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রদানে ইএমএস সফটওয়ার এবং ফেসবুক গ্রুপ ও পেইজ ইত্যাদি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সেবা একটি সাধারণ চিত্র। এতে উপকৃত হয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মচারী সকলেই। উন্মুক্ত তথ্য প্রবাহের এই যুগে কলেজের সকল কর্মকাণ্ডে তথ্য ও সেবার সামগ্রিক চিত্র জনসম্মুখে একনজরে তুলে ধরার জন্য একটি ডায়নামিক ওয়েবসাইট থাকা সময়ের দাবী।

এই লক্ষ্যে অত্র কলেজের বিদ্যমান ওয়েবসাইটটি আপডেট হতে যাচ্ছে, জেনে আমি আনন্দিত। এ উদ্যোগ আমাদের কাজে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা, জবাবদিহিতা ও সেবার মান আরো বৃদ্ধি করবে, বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এটি ঐতিহ্যবাহী এ কলেজের পরিচিতি, পাঠক্রম, সুযোগ-সুবিধা, অবকাঠামো, শিক্ষকমন্ডলীর পরিচিতি ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত জনসম্মুখে তুলে ধরতে সক্ষম হবে। এমন মহৎ উদ্যোগের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানাই।

নোটিশ বোর্ড

Quick Links

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

  • শিক্ষার্থীদের মেধার উন্নয়ন ও বিকাশে সহায়তা করা।

  • দুর্বল শিক্ষার্থীদের আরও অগ্রসর করা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনে সহায়তা করা।

  • শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবিষয়ে আগ্রহ সৃষ্টি করা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনের জন্য পূর্ণ সহায়তা প্রদান করা।

  • শিক্ষার্থীদের নৈতিক চরিত্র গঠন করা এবং তাদের মধ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করা।

  • সর্বোপরি, সুশিক্ষিত, সৎ ও মেধাবী একটি প্রজন্ম তৈরি করে উন্নত বাংলাদেশ গঠন করা।

সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম

শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননশীলতার পূর্ণ বিকাশের জন্য আমরা বিভিন্ন সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম চালু করেছি, যেমন:

  1. শিক্ষা সফর
  2. জাতীয় দিবসসমূহ পালন
  3. সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান
  4. ডিবেট ক্লাব
  5. ভাষা ক্লাব
  6. স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্পেইন

উল্লেখিত কার্যক্রমগুলোতে দায়িত্বশীল শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ প্রতি মাসে শিক্ষার্থীদের মেধা এবং মননশীলতার বিকাশে সহায়তা প্রদান করে থাকেন।